close
Breaking News:
Thanks for visit our Website


ad space

তোমাদের জন্য ভালোবাসা PDF Download |Tomader Jonno Bhalobasa

tomader-jonno-bhalobasa

তোমাদের জন্য ভালোবাসা pdf free download - লেখকঃ হুমায়ূন আহমেদ। pdf size: 14 and total page: 88.

তোমাদের জন্য ভালোবাসা বই রিভিউঃ

বিজ্ঞানী মাথুর কোনো এক অজ্ঞাত ব্যক্তির লেখা বই পড়ছেন সেখানেই পেলেন এই উক্তি। এমন এক মুহূর্তে বইটি পড়ছেন যখন পৃথিবী এক মহা সংকটের মুখোমুখি। সৌরজগতের গ্রহ গুলো সব উধাও হয়ে যাওয়া শুরু করল। কোনো বিস্ফোরণ, বিচ্ছুরণ কিছুই না। হুট করেই গায়েব হয়ে যাচ্ছে। সিডিসি জানালো এক বছর পরে পৃথিবীও এভাবে মিলিয়ে যাবে। কেন হচ্ছে এমন?

তিনি খুঁজছেন পৃথিবীকে রক্ষা করার উপায়। লী নামের একটি মেয়ে তাকে পাঁচ হাজার বছর পূর্বের এই বই দিয়ে গেছে। মেয়েটি দাবি করছে বইটিতে ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়েছে।

মধ্য বয়সী এক ব্যক্তি সেই বইতে লিখেছেন তার অতি অসাধারন কিছু অভিজ্ঞতার কথা। লেখকের সেই অভিজ্ঞতার কথা, যখন কোনো এক নিঃসঙ্গ সন্ধ্যায় ত্রিমাত্রিক এই পৃথিবী ছেড়ে পাড়ি জমিয়েছিলেন চতুর্মাত্রিক জগতে। তাও আবার অনিচ্ছা, বিস্ময়, ভয় নিয়ে, স্বপ্নের ঘোরে, হঠাৎ করে। সেইসকল মানুষরুপী চতুর্মাত্রিক প্রাণীদের মাঝে, যারা সময় নিয়ন্ত্রণ করতে জানে। যারা বিজ্ঞানের সকল বিষয় উদঘাটন করেছে। যাদের কাছে বস্তু, সময়, কাল বলে কিছুই নেই।

তারা জানতো পাঁচ হাজার বছর পর এক ব্যক্তির আগমন ঘটবে পৃথিবীতে যে আবিষ্কার করে ফেলবে চতুর্মাত্রিক জগতের সমীকরণ রহস্য। খামখেয়ালি সেই ব্যক্তিটির নাম 'ফিহা'।
তা কি করে হয়? সব থেকে বুদ্ধিমান প্রাণী তো টাইফা গ্রহের মানুষেরা। সবুজাভ টাইফা গ্রহের মানুষেরা তাই পৃথিবীকে চতুর্মাত্রিক করার জন্য তৈরি করে এক মহা সংকট। এই মহা সংকট যেন কেউ থামাতে না পারে তাই তারা সেই অজ্ঞাত লেখক কে দিয়েছে এক কঠিন কাজ, কাজটি লেখকের স্বজাতির বিরুদ্ধে। যদি সে কাজটি না করে তাহলে সে কখনোই তার পরিবারের কাছে ফিরে যেতে পারবে না।

কি ছিলো সেই কাজ? লেখক কি তার স্বজাতির বিরুদ্ধে যাবে? নাকি পরিবারের আবেগে পৃথিবী থেকে মুখ ফিরিয়ে নিবে? পৃথিবী কি টিকে থাকবে?
ব্যক্তিগত মতামত থেকেই বলছি। আমি আরো কিছু তথ্য আশা করি বইটা থেকে। কারন পড়ার পর আমার মনে কিছু প্রশ্ন উদয় হয়েছে যেগুলোর উত্তর বইয়ে দেয়া নাই। বিজ্ঞানের নানা বিষয় লেখক একটি বইতে ছোটখাট আকারে প্রকাশ করছেন। চতুর্মাত্রিক জীবের তৈরি মানুষ, মিউটেশন, মহাকাশ, আবেগ সবকিছু আপনি এই এক বইয়েই পাবেন।

হুমায়ূন আহমেদ বইয়ে অন্তর্ভুক্ত করেছেন টাইম ট্রাভেলের প্যারাডক্স, চতুর্মাত্রিক জগৎ নিয়ে কিছু কথা। বর্তমানে এই বিষয়গুলো মোটামুটি সবাই জানে, ১৯৭২ সালের দিক থেকে বিবেচনা করলে, তখন কজনই বা প্যারাডক্স সম্পর্কে জানত?
উনি গ্রান্ডফাদার (তবে বইয়ে ফাদার প্যারাডক্স আছে) প্যারাডক্স টি বইয়ে লিখে বলেছেন যে মানুষ টাইম ট্রাভেল করতে পারবে না।
কারন, আপনি যদি টাইম মেশিনে করে আপনার বাবার ছোটবেলার সময়ে যান আর তাকে খুন করেন তাহলে আপনার বাবার ভবিষ্যতে বেঁচে থাকার কথা না। সেই হিসাবে আপনারও বেঁচে থাকার কথা না। কিন্তু আপনি বেঁচে আছেন। যদি টাইম ট্রাভেল সম্ভব হত তাহলে কিন্তু আপনি আপনার বাবাকে খুন করে বেঁচে থাকতেন না।

অথচ টাইফা গ্রহের মানুষ টাইম ট্রাভেল করতে পারে। কেন পারে, কিভাবে পারে? সেই ব্যাখ্যা নাই। এমনকি তাদের কাছে সময়, বস্তু বলেও কিছুই নাই। যেহেতু বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী তাই কোনো একটা ব্যাখ্যা দিয়ে দিতে পারতেন।

বাংলাদেশের প্রথম দিকের সাইন্স ফিকশন হিসেবে মোটেও খারাপ না। বরং নতুন অধ্যায় শুরু হয়েছিলো এর মাধ্যমে। প্রথমে সাইন্স ফিকশনটি ধারাবাহিক ভাবে পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিলো। ওনার অন্যান্য লেখার মত এটাও সাবলীল। তবে উনি মিসির আলি বা অন্য লেখার সময় যেমনভাবে আবেগ প্রকাশ করতেন বা উপস্থাপন করতেন এখানে সেভাবে পাই নি। লেখকের শুরুর দিকের লেখা বলেই হয়ত এমন। চরিত্রের কথা বলতে গেলে ওনার উপন্যাসে মূল চরিত্র যেমনটা হয় ঠিক তেমনি। খামখেয়ালি, প্রকৃতি প্রেমী, অন্যদের ভিন্ন। এখানেও ফিহার ক্ষেত্রে সেরকম একটা বৈশিষ্ট খুঁজে পাবেন। রিভিউ লিখতে গিয়ে আবিস্কার করেছি, কয়েক ভাবে এর রিভিউ লেখা যায় । কারন  ছোট হলেও অত্যন্ত ঘটনাবহুল একটা ফিকশন লিখেছেন তাই বইটি সুখপাঠ্য।

টাইফা গ্রহের মানুষরা যেহেতু ভবিষ্যৎ দেখতে পারে এবং অবস্থান করতে পারে। তার মানে তারা সেই ভবিষ্যৎ কে দেখে কোনো ফলাফলও পরিবর্তন করতে পারবে। বইয়ের ভেতরে যে লেখকটি ছিলো তাকে বলা হয়েছিলো পৃথিবীতে গিয়ে ফিহাকে খুন করতে। কারন টাইফা গ্রহের মানুষ পৃথিবীতে যেতে পারে না। ফিহাকে খুন করা হলেও সে এর পূর্বেই সমীকরণ আবিষ্কার করে পৃথিবীকে রক্ষা করে। টাইফা গ্রহের মানুষরা কি জানতো না যে তারা ব্যর্থ হবে? জানার পরও কেন তারা খুন করার চেষ্টা করলো? ফিহা যে সমীকরণ আবিষ্কার করবে তারা জানে বলেই তো তাকে হত্যার চেষ্টা করেছে। এর থেকে আমি ধারণা করছি, হুমায়ূন আহমেদ ভবিষ্যতকে অপরিবর্তনীয় বলে ধরে নিয়েছেন।

সব মিলিয়ে চমৎকার একটি বই। আশা করি পড়তে গিয়ে নিরাশ হবেন না। এক ঘন্টার মধ্যেই বইটি শেষ করা সম্ভব। যদি শব্দ নিয়ে কোনো ঝামেলায় পরেন সেক্ষেত্রে বইয়ের শেষে নির্ঘন্ট রয়েছে। ওখানে অনেক কিওয়ার্ড বর্ননা করা আছে। সব শেষে বলব বই পড়ুন বই নিয়ে বাঁচুন।

বইয়ের বিবরণ

বইয়ের নামঃ তোমাদের জন্য ভালোবাসা
লেখকঃ হুমায়ূন আহমেদ
পৃষ্ঠা সংখ্যাঃ ৮৮ টি।
ক্যাটেগরিঃ সায়েন্স ফিকশন
পিডিএফ সাইজঃ ১৪ মেগাবাইট প্রায়।
রকমারি থেকে ক্রয় করার লিঙ্কঃ তোমাদের জন্য ভালোবাসা বই

Download Now


 

#বইটি ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত। #লেখকের ক্ষতি আমাদের কাম্য নয়,  বইটির হার্ড কপি কেনার সমর্থ থাকলে বইটির হার্ড কপি কিনে পড়ুন।
#(আমাদের ব্লগের সমস্ত বইগুলো ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত। লেখকের বা প্রকাশনীর যদি কোনো বইয়ের PDF নিয়ে অভিযোগ থাকে তাহলে দয়াকরে জানান, আমাদেরকে জানানোর ২৪ ঘন্টার মধ্যে PDF টি রিমুভ করে দিবো।) ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন। ধন্যবাদ পোস্ট টি পড়ার জন্য।




Post a Comment

0 Comments